মরমী সাধক শেখ ভানু শাহ

0
28

শেখ ভানু শাহ

মরমী সাধক আধ্যাত্মিক গান ও পুথি সাহিত্যের প্রাণপুরুষ

‘নিশীথে যাইও ফুল বনে রে ভ্রমরা’ গানের মূল স্রষ্টা ছিলেন মরমি সাধক, সুফি দার্শনিক, বাউল কবি শেখ ভানু শাহ। তিনি ছিলেন সিলেটের লোককবি ও মরমি সাধকদের মধ্যে অন্যতম। তিনি সহস্রাধিক আধ্যাত্মিক গান ও পুথি রচনা করেছিলেন। তাঁর রচিত গ্রন্থের মধ্যে ‘চেহেল অজুদ’, ‘আশরারুল এশক’ ও ‘পুথি শেখ ভানু’ অন্যতম। যথাযথ সংরক্ষণের অভাবে এ বইগুলোর অস্তিত্ব এখন বিলীন। তবে শেখ ভানু গবেষকদের প্রচেষ্টায় তাঁর রচিত দুই শতাধিক আধ্যাত্মিক গান ও পুথি সংগ্রহ করা সম্ভব হয়েছে। এই দার্শনিক কবিকে নিয়ে সৈয়দ মোস্তফা কামাল, দেওয়ান নুরুল আনোয়ার চৌধুরী, ড. আসরাফ সিদ্দীকি, মোস্তফা জামান আব্বাসী, নন্দলাল শর্মা, তরফদার মোহাম্মদ ইসমাঈলের মতো গুণীজনেরা গবেষণা করেছেন। ১৯৩১ সালে মনসুর উদ্দীন বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে কয়েক হাজার বাউল গান সংগ্রহ করে হারামণি ম্যাগাজিনে ১৯৪২ সালে প্রচার করেন। শেখ ভানুর অনেকগুলো গান ওই ম্যাগাজিনে অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল বলে জানা যায়। ১৯৩৩ সালে ‘বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য সমিতি’র উদ্যোগে কলকাতায় অনুষ্ঠিত সাহিত্য সম্মেলনে বাংলাদেশের মরমি কবিদের মধ্যে চারজনকে দার্শনিক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। সেই চারজন হলেন—লালন শাহ, শেখ ভানু শাহ, শেখ মদন শাহ ও হাসন রাজা।
শেখ ভানুর রচনাবলির সাহিত্য মূল্যায়নে দেখা যায়, তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর বাঙালি লোকসাহিত্যের একজন কবি ছিলেন। শেখ ভানুকে কেউ কেউ দার্শনিক কবি, সুফি মরমি কবি, লোককবি হিসেবে অভিহিত করেন। তাঁর গানগুলোকে আধ্যাত্মিক গান, মারফতি গান, মুরশিদি গান, মরমি গান, দেহতত্ত্ব গান,পল্লি গান, লোকসংগীত প্রভৃতিতে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁর সাধন ক্ষেত্রে শেখ ভানুকে তত্ত্বজ্ঞ পুরুষ, মরমি সাধক, সুফি দার্শনিক, সুফি সাধক, আউলিয়া, তত্ত্বজ্ঞানী ইত্যাদিতে আখ্যায়িত করার প্রয়াস হয়েছে।
শেখ ভানুর সাহিত্য রচনার আরেকটি অনন্য বৈশিষ্ট্য হলো, তিনি কেবল গান রচনা করেননি। তিনি একাধারে পুথি, কালাম, বারমাসি, হামদ, নাত, গজল, মোনাজাত প্রভৃতি রচনা করছেন। এ কথা অকপটে স্বীকার্য যে, শেখ ভানুর মতো কমসংখ্যক কবিই আমাদের লোকসাহিত্যের এতগুলো শাখায় একসঙ্গে প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। তাঁর রচনাসম্ভার আধ্যাত্মিকতায় ভরপুর বলেই শেখ ভানুর রচনাকে ‘ইসলামি বাংলা সাহিত্য’ বলা চলে। মুসলমান কবি সাহিত্যিকেরা সমাজে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ভুলিয়ে, ইসলামের সাম্য প্রচারে কোরআন ও হাদিসের আলোকে যে সাহিত্য রচনা করেছিলেন, শেখ ভানুর রচনা তারই অনুসারী। জগৎ জীবন সম্পর্কে অনুসন্ধিৎসু হওয়ায় তাঁর রচনা প্রাণবন্ত ও অর্থবহ।
শেখ ভানু সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার ভাদিকারা গ্রামে ১৯৪৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম মুনশি নাছির উদ্দীন। তাঁর মায়ের নাম জানা যায়নি। তিনি তাঁর মা-বাবার একমাত্র ছেলে সন্তান ছিলেন। শিক্ষার হাতেখড়ি বাবার কাছে। সংসারের হাল ধরতে মাত্র দশ বছর বয়স থেকে তিনি স্থানীয় বাজারে ফেরি করে ফলের ব্যবসা শুরু করেন। ধীরে ধীরে তিনি ব্যবসায়ে সফলতা পান এবং একসময় ফলের ব্যবসা ছেড়ে ধানের ব্যবসা শুরু করেন। তখন তিনি ভানু ব্যাপারী হিসেবে পরিচিতি পান। ভাটি অঞ্চল থেকে ধান সংগ্রহ করে ভৈরব, মদনগঞ্জ, মোহনগঞ্জ প্রভৃতি জায়গায় গিয়ে ধান বিক্রি করতেন। একবার ভৈরব বাজারে নৌকা বোঝাই করে যাওয়ার সময় ভানু একটি মরদেহ ভেসে আসতে দেখেন। লাশের ওপর কিছু কাক বসে আছে এবং লাশের চোখে ঠুকরে খাচ্ছে। মানবদেহের এমন করুণ দৃশ্য দেখে তিনি স্তব্ধ হয়ে যান। তাঁর সফরসঙ্গী আপন ভাগনে সোনা মিয়াকে সবকিছু বুঝিয়ে তিনি নদীতে ঝাঁপ দেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাঁকে পাওয়া যায়নি। এর কিছুদিন পর বামৈ বাজারের কাছে খালি গায়ে চুপ করে বসা থাকা অবস্থায় তাঁকে আবিষ্কার করে এলাকাবাসী। তখন তিনি বাকরুদ্ধ অবস্থায় ছিলেন। বেশ কিছু দিন কারও সঙ্গে কোনো কথা বলেননি। এ বিষয়টি ‘পুথি শেখ ভানু’ গ্রন্থে তিনি বর্ণনা করেছেন এভাবে—

‘এক রোজ বসে আছি নৌকার উপর
পানির মধ্যে দেখিলাম করিয়া নজর
হায়-রে, পানির উপর দেখিলাম করিয়া নজর।
মুর্দা মানুষ ভাসে এক মাঝ দরিয়ায়
উপরে বসিয়া কাক চক্ষু তার খায়
দেখিয়া আফসোস হইল দিলের ভিতর
কাঁন্দিয়া কইলাম তন-রে কি অইবে তোর।
কোথা রইলা মাতা-পিতা ভাই বন্ধুগণ
কোথায় রইল ঘর বাড়ি অঙ্গের বসন
স্ত্রী-পুত্র ছাড়াইয়া কে ভাসাইল তরে
মাছ-মাছলী টাইন্যা খায় পানির উপরে।’

মূলত এই ঘটনার পর তিনি উপলব্ধি করেন, পৃথিবীর মোহে মিছে আকৃষ্ট হয়ে কোনো লাভ নেই। স্রষ্টার সন্ধানেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব। তাই তিনি পার্থিব জীবনের মোহ ত্যাগ করে স্রষ্টার সন্ধানে আত্মনিয়োগ করেন। তিনি তাঁর যাবতীয় সম্পত্তি ভাগনে সোনা মিয়াকে দান করেন। তখন শেখ ভানু খুব অসুস্থ ছিলেন। স্থানীয় মানুষের ভাষ্যমতে, শেখ ভানু তখন বুক ধরফড়ানি রোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং স্রষ্টার ভয়ে ভীত থাকতেন। তিনি তখন একজন কালেম পিরের সন্ধানে ছিলেন, যার কাছে বায়াত গ্রহণ করবেন। ওই সময়ে হজরত সৈয়দ মীরাণ শাহ তাঁতারী (র.) ভারতের বর্তমান আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে ধর্মপ্রচারে ব্যস্ত ছিলেন। সৈয়দ মীরাণ শাহ (র.) সুদূর তাঁতার থেকে ভারতবর্ষে এসেছিলেন ইসলাম ধর্মপ্রচার করতে। কথিত আছে, তিনি ছিলেন বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানির (র.) এর বংশধর এবং একজন সুফি দরবেশ। তাঁর মাধ্যমে অগণিত মানুষ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। তিনি ধর্মপ্রচারের স্বার্থে মাঝেমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাছিরনগর উপজেলায় আসতেন। একবার নাছিরনগর এসে শেখ ভানুর অসুস্থতার সংবাদ পেয়ে তিনি তাঁর বাড়ি আসেন। মীরাণ শাহ তাঁর সুস্থতার জন্য স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করেন। ওই দিন রাতেই শেখ ভানু সুস্থ হয়ে ওঠেন। তারপর তিনি হজরত সৈয়দ মীরাণ শাহ তাঁতারীর (র.) কাছে বায়াত নেন। মীরাণ শাহ পর্যায়ক্রমে শেখ ভানুকে ধর্মীয় শিক্ষা প্রদান করেন। ধীরে ধীরে শেখ ভানু মীরাণ শাহের মাধ্যমে স্রষ্টার সন্ধান করতে গিয়ে নিজেই একজন সুফি সাধক হয়ে ওঠেন। অনেকের মতে, শেখ ভানু সুফি নিজেও একজন আল্লাহর অলি হয়ে উঠেছিলেন। যদিও তাঁর কোনো ধরনের অলৌকিক কেরামতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
শেখ ভানুর ভক্তদের দেওয়া তথ্যমতে, তিনি মীরাণ শাহের কাছে বায়াত গ্রহণের পর অনেকাংশেই নিভৃতচারী হয়ে যান। নিজ ঘরের অদূরে একটি বৈঠকি ঘর নির্মাণ করে সেখানেই বেশি সময় কাটাতেন। তিনি ছিলেন নিঃসন্তান এবং ওই সময়ে পুরোপুরিই জাগতিক জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন। স্রষ্টার সান্নিধ্য লাভের আশায় সারা দিন ধ্যানমগ্ন থাকতেন। প্রতিদিন এশার নামাজের পর মধ্যরাত পর্যন্ত স্রষ্টার বন্দনায় আধ্যাত্মিক গান গাইতেন, দরুদ পড়তেন ও জিকির করতেন। তখন ধীরে ধীরে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে শেখ ভানুর ভক্তবৃন্দ বাড়তে থাকে। তাদের কেউ কেউ রাতের বেলা শেখ ভানুর সঙ্গে শামিল হতেন। বলতে গেলে প্রায় প্রতি দিনই শেখ ভানু নতুন নতুন আধ্যাত্মিক গান ও পুথি রচনা করতেন। অধিকাংশ আধ্যাত্মিক গান ও পুথি তিনি রাতে রচনা করেন। যখন গাইতেন, তখন তাঁর ভক্তরা তা লিখে রাখত। এভাবেই তাঁর আধ্যাত্মিক গান ও পুথি লিপিবদ্ধ হয়। অনেক গবেষকে তথ্যমতে, তিনি নিজেও লিপিবদ্ধ করে রাখতেন। তাঁর আধ্যাত্মিক গান ও পুথিগুলো ভক্তবৃন্দের মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষের মুখে মুখে তাঁর বেশ কিছু আধ্যাত্মিক গান বেশ জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। মীরাণ শাহের ভক্তদের মাধ্যমেও শেখ ভানুর আধ্যাত্মিক গান ও পুথি ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পায়।
শেখ ভানুর জীবন সম্পর্কে বিশদভাবে জানতে হবিগঞ্জের গুণী মরমি গবেষক তরফদার মুহাম্মদ ইসমাঈলের রচনায় ‘সুফি দার্শনিক কবি শেখ ভানু’ বইটি পড়লে অনেকটাই জানা যাবে। শেখ ভানুর একজন বর্ষীয়ান ভক্ত মীর মুর্শিদ জানান, তরফদার মুহাম্মদ ইসমাঈল প্রায় এক যুগ ধরে শেখ ভানুকে নিয়ে গবেষণা করেন। তিনি শেখ ভানুর জীবন সম্পর্কে জানতে এবং তাঁর আধ্যাত্মিক গান ও পুথি সংগ্রহ করতে অসংখ্যবার লাখাই গিয়েছিলেন। সেখানকার বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে আলোচনা করে তথ্য সংগ্রহ করেছেন। তিনি নিজেও তরফদার মুহাম্মদ ইসমাঈলের গবেষণায় অনেক সহযোগিতা করেছেন। মুহাম্মদ ইসমাঈলের সহায়তা নিয়ে অনেকেই শেখ ভানুকে নিয়ে গবেষণা করতে লাখাই এসেছিলেন। তাঁদেরও মীর মুর্শিদ তথ্য সংগ্রহে যথাসম্ভব সহযোগিতা করেছিলেন। তাঁদের গবেষণাকাজে তথ্য প্রদানকারী অনেকেই মারা গেছেন। তিনি আরও জানান, শেখ ভানুর মারফতি ধারা তাঁরা বজায় রেখেছেন। প্রতি দিন রাতে সম্ভব না হলেও প্রতি রবি ও বৃহস্পতিবার রাতে এশার নামাজের পর তাঁরা শেখ ভানুর বৈঠকি বাড়িতে যা বর্তমানে শেখ ভানুর খানকা হিসেবে পরিচিত, সেখানে স্রষ্টার সান্নিধ্য লাভের আশায় ফাতেহা পাঠ ও শেখ ভানুর আধ্যাত্মিক গান ও পুথি পাঠের মধ্যে দিয়ে জিকির করেন। শেখ ভানু শাহ ৩ কার্তিক ১৩২৬ বঙ্গাব্দ (১৯১৯ খ্রিষ্টাব্দ) মৃত্যুবরণ করলেও প্রতি বছর পৌষ মাসের ১৪ তারিখ তাঁর বার্ষিক ওরস মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
শেখ ভানুর ভাগনে সোনা মিয়ার একমাত্র ছেলে আব্দুল মতলিব দীর্ঘদিন ধরে শেখ ভানুর খানকা রক্ষণাবেক্ষণ করেন। তিনি গত হওয়ার পর বর্তমানে তাঁর ছেলে সাইদুল মিয়া এ দায়িত্বে রয়েছেন। বর্তমানে তিনিই একমাত্র খাদেম। শেখ ভানুর খানকায় সংরক্ষিত আছে তাঁর ব্যবহৃত একটি সুদৃশ্য পালং, একটি ছড়ি, একটি বড় পিতলের পাতিল, একটি লোহার সিন্দুক ইত্যাদি।
সাইদুল মিয়া জানান, দেশ-বিদেশ থেকে অনেক ভক্ত আসেন। তিনি তাঁদের খানকাতে সংরক্ষিত শেখ ভানুর ব্যবহৃত জিনিসগুলো দেখানোর ব্যবস্থা করেন। কেউ থাকতে চাইলে তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেন। তবে এর জন্য কোনো অর্থ গ্রহণ করেন না। প্রতি রোববার ও বৃহস্পতিবার রাতে শেখ ভানুর কসিদা মানে আধ্যাত্মিক গান ও পুথি শোনার সুযোগ থাকে। অধিকাংশ ভক্ত এসে শেখ ভানুর মাজার ও খানকার দুরবস্থা দেখে দুঃখপ্রকাশ করেন। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা না থাকায় মাজার ও খানকার খুব করুণ অবস্থা ছিল। কয়েক জন ভক্তের আর্থিক সহায়তায় মাজারে কিছুটা উন্নয়ন সম্ভব হলেও খানকার অবস্থা খুবই খারাপ। পুরোনো টিনের ঘর যেকোনো সময় ঝড়ে ভেঙে পড়তে পারে। তবে আশার কথা হচ্ছে, শেখ ভানুর মাজার ও খানকার উন্নয়নে সরকারি সহায়তা প্রদানে হবিগঞ্জ জেলার বর্তমান ডিসি মাহমুদুল কবির মুরাদ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
এই বিষয়ে মাহমুদুল কবির জানান, ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে একটি দল শেখ ভানু শাহের তথ্য সংগ্রহ করতে এসেছিল। তখন তিনি সেই দলের সঙ্গে সরেজমিনে পরিদর্শনে এসে মাজার ও খানকার জরাজীর্ণ অবস্থা দেখেন। তখনই তিনি এর উন্নয়নের উদ্যোগ ও সেই লক্ষ্যে কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেন।
সুফি দার্শনিক কবি শেখ ভানু শাহ্ আমাদের লোকসাহিত্যে অনন্য অবদান রেখে গেছেন। তাঁর গান বিশ্বের বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। শেখ ভানুর মরমি পুথিগুলো আমাদের পুথি সাহিত্যের ভান্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে। তাঁর অবদানের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় শেখ ভানু শাহের গ্রামে একটি লাইব্রেরি ও গবেষণা কেন্দ্র এবং একটি জাদুঘর নির্মাণ করে দেওয়া এখন সময়ের দাবি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here