সৈয়দ এবি মাহমুদ হোসেন

Spread the love

সৈয়দ এবি মাহমুদ হোসেন (১৯১৬-১৯৮২) জন্মস্থান- লস্করপুর, হবিগঞ্জ।

সৈয়দ এবি মাহমুদ হোসেন ১৯৭৫-১৯৭২ খ্রিঃ পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ছিলেন। জীবদ্দশায় তিনি ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কমিশনের চেয়ারম্যান, হবিগঞ্জ লোকাল বোর্ডের সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য, পাকিস্তান চা বোর্ডের সদস্য, ইস্ট বেঙ্গল রেলওয়ের উপদেষ্টা, পাকিস্তান শরণার্থী পূনর্বাসন কর্পোরেশনের পরিচালক, পাকিস্তান কনস্টিটিউয়েন্ট এসেম্বেলীর সদস্য, কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারী এসোসিয়েশনের সদস্য, আন্তপার্লামেন্টারী ইউনিয়নের সদস্য, আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামের প্রেসিডেন্ট, সেন্টাল ল কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, শেফ ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট এর পেট্রন, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে গেছেন। সৈয়দ আবুল বাসার মাহমুদ হুসেন ১৯১৬ খ্রি. হবিগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার লস্করপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শায়েস্তাগঞ্জ হাইস্কুল, সিলেট এম সি কলেজ, কলকাতা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেন। ঢাকা দারুল উলুম আহসানিয়া মাদ্রাসার প্রধান হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে ১৯৩০ খ্রি. হবিগঞ্জ বারে যোগদানের মাধ্যমে জড়িত হয়ে পড়েন আইন পেশায়। ১৯৪৩-৪৮খ্রি. পর্যন্ত এপিপি’র দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৪৪-৪৭ খ্রি. আসাম প্রভিন্সিয়াল মুসলিম লীগের কাউন্সিলার, ১৯৪৫-৪৭ খ্রি. নিখিল ভারত মুসলিম লীগের কাউন্সিলর, ১৯৪৭-৫৫ খ্রি. নিখিল পাকিস্তান মুসলিম লীগের কাউন্সিলর ছাড়াও পাকিস্তান ও সিলেট রেফারেন্ডাম আন্দোলনে বিশেষ ভূমিকা রাখেন। কর্ম জীবনে তিনি ১৯৫১ খ্রি. ফেডারেল কোর্ট অব পাকিস্তানের এটর্নি, ১৯৫৮ খ্রি. পাকিস্তান সুপ্রীম কোর্টের সিনিয়র এডভোকেট পরে পূর্ব পাকিস্তান হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত এডভোকেট জেনারেল, ১৯৬৫খ্রিঃ তিনি পূর্ব পাকিস্তান হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে যোগদান করেন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের এপিলেট ডিভিশনের বিচারপতি নিযুক্ত হন। এ মহান পুরুষ ১৯৮২ খ্রি. ২ আগস্ট ইন্তেকাল করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© Habiganj Info. All Rights Reserved by Fileky