Tuesday , 23 October 2018
এই মূহুর্তেঃ-

কৃতী সন্তান

C R Dotta

C R Dotta

মেজর জেনারেল (অবঃ) সি আর দত্ত (১৯২৭-) জন্মস্থান- মিরাশী, চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ

•        তিনি মুক্তিযুদ্ধের ৪ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের পরে উনাকে বীর উত্তম উপাধি দেয়া হয়। তিনি ১৯৫২ সালে ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে কমিশন হিসেবে যোগ দেন। তিনি সেনাবাহিনী থেকে মেজর জেনারেল থাকা অবস্থায় অবসর নেন।

 

Portraits BRACস্যার ফজলে হাসান আবেদ (১৯৩৬-)

জন্মস্থান- বানিয়াচং, হবিগঞ্জ

•        বিশ্বের অন্যতম এনজিও ব্র্যাক এর প্রতিষ্ঠাতা তিনি। ব্র্যাক এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সহ বিশ্বব্যাপী দারিদ্র হ্রাস করনের জন্য ব্রিটেনের রাণী কর্তৃক নাইট উপাধি লাভ করেন। এছাড়া তিনি র‍্যামন পুরস্কারের পাশাপাশি দেশিবিদেশি বিভিন্ন পুরস্কারের ঘোষিত হন। এবং বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ স্ফ বিশ্বের বিভিন্ন সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন  করেছেন।

 

 

 

সৈয়দ জে আর মোদাচ্ছের হোসেন (১৯৪০-)

জন্মস্থান- লস্করপুর, হবিগঞ্জ।

  • ঢাকা বিশ্বপবিদ্যালয়ে আইন অনুষদের পরীবক এবং ১৯৭৭ সালে তিনি সহকারী এবং ১৯৮৪ সালে তিনি ডেপুটি এটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত লাভ করেন, বিচারপতি হিসেবে সপথ গ্রহন করার পূর্ব পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৪ সালে তিনি বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান বিচারপতির পদ অলংকৃত করেন।


Enamul-haq-mostafa-sahid
এ্যাডঃ এনামুল হক মোস্তফা শহীদ (১৯৩৮-)

জন্মস্থান- চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ

•        ১৯৭০,১৯৭৩,১৯৯১,১৯৯৬,২০০১ এবং ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে পরপর ছয় বার চুনারুঘাট-মাধবপুর আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালে তিনি সমাজ কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব ভার গ্রহন করেন। স্বাধীনতাপূর্ব আইয়ূব বিরোধী আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণয়ান্দোলন ও ছয় দফা দাবীসহ ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের সাথে নেতৃত্ব দান করেন।

 

চাটার্ড ইঞ্জিঃ হাজী এম এ মতিন (১৯৪২-) জন্মস্থান- মিরাশী,

চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ

* তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ১৯৭৩ সালে চাটার্ড ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। এবং প্রথম বাঙ্গালী হিসবে ইঞ্জিনিয়ারিং এর উপর ফেলোশিপ লাভ করেন। তিনি হবিগঞ্জ গভঃ স্কুল থেকে শুরু করে সকল ক্ষেত্রেই প্রথম শ্রেণি লাভ করেন। বৃটেনে ইঞ্জিনিয়ারিং এ গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বৃটেনের রানী উনাকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করেন। তিনি কর্ম জীবনে কমনওয়েলথ সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় সাফল্যের সাথে কাজ করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধাদের জন্য লন্ডনে ফান্ড গঠনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন।বর্তমানে তিনি নর্থ বাংলাদেশি এসোসিয়েশন এর সভাপতি সহ বিভিন্ন সংস্থায় পরামর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

D. Md. Forash Uddin

D. Md. Forash Uddin

ড. মোঃ ফরাশ উদ্দিন(১৯৪২-)

জন্মস্থান- মাধবপুর, হবিগঞ্জ

* তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ছিলেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা শেষ করে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ভিসি। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি দায়িত্বের পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থায় জড়িত আছেন। অর্থনীতি, শিক্ষা, সামাজিক কর্মকান্ড ও জাতীয় নীতি নির্ধারণে বিশেষ ভূমিকা রাখায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর হবিগঞ্জের কৃতি সন্তান ড. মোহাম্মদ ফরাশ উদ্দিনকে খান বাহাদুর আহছান উল্লাহ্ স্বর্ণপদক ২০১৩ প্রদান করা হচ্ছে। ঢাকা আহছানিয়া মিশন আজ আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদক প্রদান করবে। এ উপলক্ষে আহছান উল্লাহ্ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে এক অনুষ্ঠানে ড. মোহাম্মদ ফরাশ উদ্দিনের হাতে স্বর্ণপদক তুলে দিবেন প্রধান বিচারপতি মোঃ মোজাম্মেল হোসেন।
ঢাকা আহছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্ট কাজী রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন। উল্লেখ্য, সমকালীন কৃতি ব্যক্তিত্বদের প্রতিভা ও অবদানের স্বীকৃতি প্রদান এবং মিশন প্রতিষ্ঠাতা হযরত খান বাহাদুর আহছান উল্লাহ্ (রঃ)-এর জীবন ও কর্ম সম্পর্কে পরিচিতির লক্ষ্যে ঢাকা আহছানিয়া মিশন ১৯৮৬ সাল থেকে প্রতি বছর জাতীয় পর্যায়ের একজন কৃতি ব্যক্তিত্বকে খান বাহাদুর আহছান উল্লা স্বর্ণপদক প্রদান করে আসছে। তারা আশা করেন হবিগঞ্জের এই কৃতি সন্তান দেশ ও জাতির উন্নয়নে আরো বেশি অবদান রাখবেন।

 

বিচারপতি আব্দুল হাই ( ১৯৪৪-) জন্মস্থান- চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ

•        তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিষয়ে অধ্যয়ন শেষ করে ১৯৭০ সালে ইপিসিএস পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চাকুরী জীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরী শেষে ২০০ সালে তিনি সচিব পদোন্নতি পান। সর্বশেষ ২০০১  সালের বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি অবসরে আছেন।

 

মোঃ শফিকুল হক চৌঃ (১৯৪৯-) জন্মস্থান- নরপতি, চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ।

* বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ এনজিও আশা এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান তিনি। ২০০৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি বর্তমানে দেশি বিদেশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।

 

. নিতাই চন্দ্র সূত্রধর (১৯৫৪-) জন্মস্থান- হবিগঞ্জ।

* কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের মহাপরিচালক। তিনি বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ভিসি হিসেবে বর্তমানে দায়িত্বরত আছেন। ২০০৯ সালে শিক্ষা প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে কৃতিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

সৈয়দ রিজওয়ানা হাসান (১৯৬৮-) জন্মস্থান- চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ।

  • তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে অধ্যয়ন শেষে ১৯৯৩ সালে এ্যাডভোকেট হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরিবেশ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের অন্য ২০০৯ সালে ‘গোল্ডেন এনভেরমেন্টাল পুরস্কার’ লাভ করেন। সর্বশেষ ২০১২ সালে তিনি রেমন ম্যাগসাঁস পুরষ্কার লাভ করেন। বর্তমানে তিনি বেলার নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত আছেন।

উম্মে-আয়েশা খাতুন চৌধুরি (২০০২) দরিয়াপুর, হবিগঞ্জ

•        তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা শেষ করে দেশে চলে আসেন। ১৯৭৬ সালে তিনি প্রথম মহিলা হিসেবে জনশিক্ষা উপ-পরিচালকের দায়িত্বভার গ্রহন করেন। তেমনি প্রথম মহিলা হিসেবে ১৯৭৮ সালে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হন। শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রথম মহিলা পরিচালকও তিনি।

 

বিচারপতি আঃ ওয়াদুদ চৌধুরি , জন্মস্থান- দরিয়াপুর, হবিগঞ্জ

•        তিনি বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আপীল বিভাগের সিনিয়র এ্যাডভোকেট হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। তিনি তৎকালীন হাইকোর্ট বার সমিতির সেক্রেটারি এবং পাকিস্তান বার সমিতির সেক্রেটারি জেনারেলও ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ঢাকা হাইকোর্টের বিচারপতি পদে নিয়োজিত ছিলেন।

 

বিচারপতি সৈয়দ দস্তগীর হোসেন, জন্মস্থান- হবিগঞ্জ

•        তিনি ২০০৩ সালে হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহন করেন। তিনি হবিগঞ্জের একমাত্র প্রথম , সাবেক প্রধান বিচারপতির ছেলে বিচারপতি হয়েছেন। ১৯৭৯ সালে এ্যাডভোকেট হিসেবে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টে যোগদান করেন। ১৯৯৪-৯৫ সালে সুপ্রীম কোর্ট বার এসোসিয়েশন ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। এছাড়া তিনি ঢাকা ,চট্টগ্রাম, রাজশাহী, ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিক্ষক ছিলেন।

 

Untitled-1এডভোকেট মোহাম্মদ আলী পাঠান

হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নির্বাচিত কমান্ডার

জন্ম ১৯৫০ ইংরেজী ৩০ শে জুন, পিতাঃ শহীদ তাহিদ হোসেন পাঠান, মাতাঃ মরহুমাঃ সুলতানা বেগম,কাটিয়ায়া প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে ৫ম শ্রেণীতে বৃত্তি প্রাপ্ত, মাদাহরি লোকনাথ উচ্চ বিদ্যালয় হতে এস.এস.সি, ব্রাবাড়িয়া কলেজ হতে বি.কম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এল.এল.বি ডিগ্রী অর্জন,

১। মাধবপুর থানা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি
২। স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক।
৩। ১৯৭১ মহান মৃক্তি যোদ্ধে যোগদান ভারতের দেরাদুন হতে সামরিক ট্রেনিং প্রাপ্ত, ৩নং সেক্টরে মুক্তিযোদ্ধে অংশ গ্রহণ।
৪। মাধবপুর থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক।
৫। মাধবপুর ক্ষেতে পানি শ্যামল প্রকল্পে স্বর্ণ পদক প্রাপ্ত।
৬। হবিগঞ্জ কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংকের চেয়ারম্যান।
৭। জাতীয় সমবায় ইউনিয়ানের ডাইরেকটার।
৮। সমবায়ী সতিসিহি হিসাব  ভারত, শিউল, জাপান শফর।
৯। হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নির্বাচিত কমান্ডার (২০১০-২০১৩) ২০১৪ হতে নির্বাচিত।

২ ছেলে ৩ কন্যা, উচ্চ শিািয় শিতি এবং বিভিন্ন পেশায় নিয়েজিত।
সেক্টর কমান্ডার ফোরামের সভাপতি, বিভিন্ন সমাজ সেবা মূলক কাজে নিয়েজিত,কলেজ, স্কুল, মাদ্রাসা, মসজিদ, শিা সহ-বিভিন্ন সংস্থায় সঙ্গে জড়িত, ওয়ার ফেক্ট ফাইনডিংস কমিটির অন্যতম সদস্য, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির হবিগঞ্জ জেলার সভাপতি।

 

জনাব মোদাব্বির হোসেন চৌধুরী, জন্মস্থান- মোস্তফাপুর, নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জ

•        তিনি হবিগঞ্জ মহকুমার প্রথম মন্ত্রী ছিলেন। ১৯৩৯ সালে তিনি আসামের অন্যতম মন্ত্রী নিযুক্ত হন। তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় তৎকালীন সরকারের প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

 

নাসির উদ্দিন চৌধুরী, জন্মস্থান- পিয়াইম, মাধবপুর, হবিগঞ্জ

•        তিনি ঢাকা হাইকোর্টে একজন বিখ্যাত আইনজীবি ছিলেন।তিনি তৎকালীন প্রাদৈশিক সরকারের মন্ত্রী ছিলেন।

 

এজাজ আহমেদ

পুলিশ সুপার, সিলেট , জন্ম তারিখ- ১ নভেম্বর
জন্মস্থান- কোর্ট স্টেশন রোড, হবিগঞ্জ।

 

প্রেফসার ডাঃ মুশাহিদ ঠাকুর

এম বি বি এস , এফ সি পি এস , এফ আর সি এস(ইংল্যান্ড)
চক্ষু বিশেষজ্ঞ এন্ড ফেকোসার্জেন্ট
কনসালটেন্ট ,(ডিপার্টমেন্ট অব ওফথাল্মোলজি)
কম্বাইন্ড মিলিটারি হসপিটাল (সিএমএইচ)
জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট, সিলেট
মোবাইলঃ ০১৭১৬-০৭৩৮২০, ই-মেইল- irrmcinfo@gmail.com

 

কামরুল হাসান তরফদার, জন্মস্থান- শ্রীবাওড়, চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ

•        তিনি ফিলিপিন্সসহ অন্যান্য দেশে সুপরিচিত এনজিও আশা ফিলিপিন্স ফাওন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা।


বিচারপতি আঃ ওয়াদুদ চৌধুরি , জন্মস্থান- দরিয়াপুর, হবিগঞ্জ।

  • তিনি বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আপীল বিভাগের সিনিয়র এ্যাডভোকেট হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। তিনি তৎকালীন হাইকোর্ট বার সমিতির সেক্রেটারি এবং পাকিস্তান বার সমিতির সেক্রেটারি জেনারেলও ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ঢাকা হাইকোর্টের বিচারপতি পদে নিয়োজিত ছিলেন।

 

সৈয়দ মুহিবুল হাসান, জন্মস্থান- নরপতি, চুনারুঘাট হবিগঞ্জ

  • তিনি স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশ সরকারের একজন মন্ত্রী ছিলেন।

 

সৈয়দ আনোয়ারুল ইসলাম,

বানিয়াচং মীর মহল্লা সৈয়দ বাড়ী পিতৃক নিবাস।

সৈয়দ আনোরারুল ইসলাম ১৯৪৩ সালে ২৯ ডিসেম্বর সিলেট শহরে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা সৈয়দ আমীরুল ইসলাম শিক্ষা বিভাগে নিয়োজিত ছিলেন এবং ১৯৬৮-১৯৭২ সময়কাল সিলেট সরকারি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার মাতা রাবেয়া খাতুন ১৯৪৫ সাল থেকে সিলেট সরকারি বালিকা বিদ্যালয় ও কুমিল্লা ফয়জুন নেছা সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন।

সৈয়দ আনোয়ারুল ইসলাম সিলেটের ঐতিহ্যবাহী দুর্গাকুমার পাঠশালায় ছাত্রজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি রসময় মেমোরিয়াল স্কুল ও সিলেট সরকারি বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। ১৯৫৮ সালে তিনি কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে আইএসসি পাশ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে অনার্স ও এমএ ডিগ্রি লাভ করেন।

সিলেট মহিলা কলেজে অধ্যাপনার মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু হয়।তিনি ১৯৬৯ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সেন্ট্রাল সুপিরিয়র সার্ভিসে যোগদান করেন ও পাকিস্তান সরকারের কৃষি ও পূর্ত মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রদর্শনের জন্য তিনি ১৯৭২ সালের জুলাই মাসে চাকরীচ্যুত হন।স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের পর তিনি বাংলাদেশ সরকারে যোগদান করেন।তিনি প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়,স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা মন্ত্রণালয়ের শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রনালয়,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় ও স্থানীয় পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে নিয়োজিত ছিলেন।১৯৮৫-১৯৯০ সালে তিনি আবুধাবীস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে  শ্রম কাউন্সিলর ছিলেন।২০০০ সালের ডিসেম্বরে অতিরিক্ত সচিব হিসেবে তিনি চাকরি থেকে অবসর গ্রহন করেন।বর্তমানে তিনি সেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সীমান্তিক’এবং সমাজকল্যাণ ও উন্নয়ন সংস্থা’-এর অবৈতনিক উপদেষ্টা।তিনি জে এস আই বাংলাদেশ নামক একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পরামর্শক হিসেবে কাজ করছেন।

তিনি বিবাহিত এবং তিন কন্যা সন্তানের জনক।তার সহধর্মিণী ফৌজিয়া ইসলাম একজন কবি ও লেখিকা।এ বংশের লেখক ও সাংবাদিক সৈয়দ মুজাফফর ইমাম সাজ্জাদ তাঁর পূর্ব পুরুষের ইতিহাস ঐতিহ্যের লালন করে আসছেন।

 

. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম

(জন্ম ১৮ জানুয়ারি ১৯৫১)

D. Syed Monjurul Islamড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের জন্ম ১৮জানুয়ারি ১৯৫১ সালে (বানিয়াচং মীর মহল্লা সৈয়দ বাড়ী পিতৃক নিবাস )  সিলেট শহরে। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি চতুর্থ। তাঁর বাবা সৈয়দ আমীরুল ইসলাম ছিলেন একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও লেখক। শিক্ষা বিভাগে নানা অবস্থানে কাজ করে তিনি অবসর গ্রহনের আগ পর্যন্ত সিলেট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলামের মা মরহুম রাবেয়া খাতুনও ছিলেন একজন শিক্ষাবিদ। তিনি সিলেট ও কুমিল্লা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে দীর্ঘ ৩২ বছর শিক্ষকতা করেন।

প্রথমে দুর্গাকুমার পাঠশালা ও পড়ে সিলেট সরকারি স্কুলে পড়াশোনা করে ঐ স্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে দুটি বিষয়ে লেটার মার্কসহ তিনি প্রথম শ্রেণিতে পাশ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে তিনি ভর্তি হন। ১৯৭২ সালে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে তিনি বিএ সম্মান পরীক্ষা পাশ করেন। ১৯৭৩ সালে অনুষ্ঠিত এমএ পরীক্ষাতেও তিনি প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান নিয়ে উত্তীর্ণ হন। এ দুই পরীক্ষায় কৃতিত্বের জন্য তিনি যথাক্রমে পোপ স্মারক স্বর্ণপদক ও ফজলুর রহমান স্মারক স্বর্ণপদক লাভ করেন।

১৯৭৪ সালের অক্টোবর মাসে সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম প্রভাষক হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের যোগদান করেন। ১৯৭৬ সালে কানাডার কিংস্টন শহরস্থ কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তি নিয়ে তিনি উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য যান এবং ১৯৮১ সালে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি দেশে ফিরে আবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা শুরু করেন। ১৯৮৯ সালে তিনি প্রফেসর পদে পদোন্নতি লাভ করেন। ১৯৮৮ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করেন। তাছাড়া ১৯৮৮ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক ছাত্রাবাসের ওয়ার্ডেন হিসেবেও কাজ করেন।

D. Syed Monjurul Islam 3একাডেমীক লেখালেখি এবং শিক্ষকতার বাইরেও ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। সাহিত্য-নন্দনতত্ত্ব-চারুকলা ইত্যাদি বিষয়ে তিনি প্রচুর লেখালেখি করেছেন। তাঁর লেখা নন্দনতত্ত্ব (বাংলা একাডেমী ১৯৮৬) বাংলাদেশে এ বিষয়ে লেখা প্রথম বই। তিনি চারুকলার উপরও অনেক বই এবং প্রবন্ধ লিখেছেন। বাংলাদেশের চিত্রকলা নিয়ে ইংরেজি ভাষায় তাঁর লেখা দুটি বই ২০০২ ও ২০০৩ সালে প্রকাশিত হয়েছে এবং পাঠক ও বুদ্ধ মহলে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। তিনি বেশ কয়েকটি চিত্র প্রদর্শনী কিউরেটও করেছেন।

২০০২ সালে ইংল্যান্ডের ওল্ডহ্যামে ও ২০০৪ সালে লাহোরে বাংলাদেশি শিল্পকলার দুটি প্রদর্শনীর তিনি কিউরেটর ছিলেন। বাংলাদেশের প্রায় প্রত্যেক বিখ্যাত শিল্পীসহ অসংখ্য তরুন শিল্পীর উপর পরিচিতিমূলক লেখার পাশাপাশি দেশ-বিদেশের আর্ট জার্নালে তিনি বাংলাদেশের শিল্পকলা নিয়ে নিয়মিত লিখেছেন। ঢাকা থেকে প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মানের আর্ট ত্রৈমাসিক যামিনী-র সম্পাদনা পরিষদের তিনি একজন সদস্য। তাছাড়া বেশ কয়েকবার তিনি ঢাকা দ্বিবার্ষিক চিত্রপ্রদর্শনীর সেমিনার সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮০ দশকের মাঝামাঝি থেকে ড. ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্ক দলের মডারেটর হিসেবে বিতর্ক চর্চাকে পুনর্জীবিত করতে ভুমিকা রাখেন। এখনও তিনি সংগঠনটির মডারেটরের দায়িত্ব পালন করছেন। বাংলাদেশ টেলিভিশনের ইংরেজি সংসদীয় বিতর্ক অনুষ্ঠানে তিনি দীর্ঘ ছয় বছর স্পিকারের ভূমিকা পালন করেন এবং সারাদেশে ইংরেজি ভাষায় বিতর্ককে জনপ্রিয় করতে ভূমিকা রাখেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিতর্ক দলের মডারেটর হিসেবে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া-সিঙ্গাপুরসহ অনেক দেশে দলের নেতৃত্ব দেন।

D. Syed Monjurul Islam.১৯৮৯ সাল থেকে ছোট গল্পকার হিসেবে ড. ইসলাম পুনরায় পাঠকদের সামনে আসেন। ঢাকা ও কলকাতা থেকে তাঁর পাঁচটি ছোট গল্প সংকলন বের হয়েছে এবং ভিন্ন ধারার গল্পকার হিসেবে তিনি ইতিমধ্যে পাঠকদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। ১৯৯৬ সালে সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার লাভ করেন।

বাংলাদেশ টেলিভিশন, চ্যানেল আই ও একুশে টিভির জন্য তিনি অনেকগুলো নাটক লিখেছেন। এর বেশিরভাগই মৌলিক তবে কয়েকটি নাটক রবীন্দ্রনাথ ও একটি নাটক সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহর গল্পের নাট্যরূপ। তাছাড়া মঞ্চ নাতকের জন্য তিনি কয়েকটি অনুবাদ ও মৌলিক নাটকও লিখেছেন। তাঁর ‘ভুবনের ঘাটে’ নাটকটি ২০০৪ সালের শ্রেষ্ঠ মঞ্চ নাটক হিসেবে বাচসাস পুরস্কার লাভ করে।

ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম সাম্প্রতিক বিষয়াবলীর উপর বিভিন্ন সংবাদপত্রে কলাম লিখে থাকেন এবং সেগুলো পাঠকের প্রশংসা অর্জন করেছে। তিনি প্রথম আলো, আজকের কাগজ ও ইত্তেফাকে কলাম লিখেছেন, এখন ভোরের কাগজে লিখছেন। এছারা বাংলাদেশের প্রথম সারির বাংলা ও ইংরেজি অনেক দৈনিকেও নানা বিষয়ে তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়।

ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিসহ বেশ কয়েকটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমীক পরিষদের সদস্য এবং এশিয়াটিক সোসাইটি, আমেরিকান স্টাডিজ রিসার্চ সেন্টার (হায়দ্রাবাদ, ভারত)সহ অনেক লার্নেড সোসাইটির সদস্য।

ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ১৯৭৬ সালের জুন মাসে সাঞ্জিদা মইনের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। মিসেস ইসলাম ইউনিসেফ, বাংলাদেশ এ প্রোগ্রাম কম্যুনিকেশন উপদেষ্টা হিসেবে কার্যরত। তাদের একমাত্র সন্তান শাফাক ইসলাম (জন্ম- ১৯৮০) যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পড়াশোনা শেষ করে বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ে ল’ স্কুলে পড়াশোনা করেন এবং ২০০৫ সালের মে মাসে জে ডি ডিগ্রি লাভ করেন।

উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: নন্দনতত্ত্ব (১৯৮৬), কতিপয় প্রবন্ধ (১৯৮১), থাকা না থাকার গল্প (১৯৯৪) স্বনির্বাচিত শ্রেষ্ঠগল্প (১৯৯৫), কাঁচ ভাঙা রাতের গল্প (১৯৯৮), অন্ধকার ও আলো দেখার গল্প (২০০১) প্রেম ও প্রার্থনার গল্প (২০০৫) সুখ দু:খের গল্প (২০১১) আধখানা মানুষ (২০০৬) নিত পর্বের জীবন (২০০৮), কানাগলির মানুষেরা (২০০৯) এবং আজগুবী রাত (২০১০)।

 

মাহবুবা সুলতানা ফৌজিয়া,

জন্মস্থান- ঘোষপাড়া, বেবী স্ট্যান্ড হবিগঞ্জ।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে এম এ ডিগ্রী নিয়ে বর্তমানে ঢাকায় গুলশানে মানারাত আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজী বিভাগে শিক্ষকতা করছেন।

রাহুল ভট্টাচার্য্য,

মেটাল টয় কোম্পানি,

আমেরিকা সিনিয়র মানেজার এম.বি.এ.

( অ্যারিজোনা ইউনিভারসিটি ) বাসাঃ নন্দনপুর, ভাতকাটিয়া বাহুবল.

রাজীব ভট্টাচার্য্য,

ডিরেক্টর ( মার্কেটিং ),

গ্রামীন ফোন, বাংলাদেশ,

বাসাঃ নন্দনপুর,

ভাতকাটিয়া, বাহুবল

 

মোহাম্মদ জহিরুল হক শাকিল

মোহাম্মদ জহিরুল হক শাকিল

মোহাম্মদ জহিরুল হক শাকিল
সহযোগী অধ্যাপক, পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগ
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট

সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ জহিরুল হক শাকিলের জন্ম ১৯৭৬ সালে হবিগঞ্জ পৌরসভার তেঘরিয়ায়। ১৯৮৬ সাল থেকে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন শহরের শায়েস্তানগর আবাসিক এলাকায়। পিতা হবিগঞ্জ বিতর্ক পরিষদের সভাপতি বিশিষ্ট শিক্ষক আলহাজ্ব মোঃ জবরু মিয়া ও মাতা আলহাজ্ব মোছাম্মৎ রাবেয়া খাতুন। জহিরুল হক শাকিল ১৯৯৩ সালে শহরের জে কে এন্ড এইচ কে হাইস্কুল থেকে স্টার মার্ক নিয়ে সাধারন বিজ্ঞান বিভাগ থেকে প্রথম বিভাগে এসএসসি এবং ১৯৯৫ সালে সরকারী বৃন্দাবন কলেজ থেকে হবিগঞ্জ জেলায় সর্বোচ্চ নাম্বার নিয়ে মানবিক বিভাগ থেকে প্রথম বিভাগে এইচএসসি পাশ করেন। পরে ভর্তি হন সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ এন্ড পাবলিক এ্যাফেয়ার্স বিভাগে। এ বিভাগ থেকে ১৯৯৮ সালে (পরীক্ষা অনুষ্টিত ২০০০ সাল) এ গ্রেড ও ডিস্টিংশন নিয়ে রেকর্ড নাম্বার সহ বিএসএস অনার্স ডিগ্রী লাভ করেন। বিএসএস পরীক্ষায় তার প্রাপ্ত সিজিপিএ ছিল সমগ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সর্বোচ্চ। এজন্য তিনি রাষ্ট্রপতি তথা চ্যান্সেলর গোল্ড মেডেল লাভ করেন। একই সাথে স্কুল অব সোস্যাল সায়েন্সে সর্বোচ্চ সিজিপিএ’র জন্য ভাইস চ্যান্সেলর মেডেল ও তার বিভাগে সর্বোচ্চ সিজিপিএ প্রাপ্তির জন্য ইউনিভার্সিটি বুক মেডেল লাভ করেন। পরবর্তিতে একই বিভাগ থেকে ১৯৯৯ সালে (পরীক্ষা অনুষ্টিত ২০০২ সাল) ডিস্টিংশনসহ এ গ্রেড নিয়ে এমএসএস ডিগ্রী লাভ করেন। উক্ত শিক্ষাবর্ষে স্কুল অব সোস্যাল সায়েন্সে সর্বোচ্চ সিজিপিএ’র জন্য ভাইস চ্যান্সেলর মেডেল ও তার বিভাগে সর্বোচ্চ সিজিপিএ প্রাপ্তির জন্য ইউনিভার্সিটি বুক মেডেল লাভ করেন। এমএসএস পর্যায়ে ‘বাংলাদেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে নারীর ক্ষমতায়নঃ সমস্যা ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক সম্পাদিত থিসিস পরবর্তীতে ঢাকার গতিধারা থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। জহিরুল হক শাকিল পলিটিক্যাল স্টাডিজ এন্ড পাবলিক এ্যাফেয়ার্স বিভাগের একমাত্র ছাত্র যিনি বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে সকল পরীক্ষায় প্রথম হন। সামাজিক বিজ্ঞান তথা পলিটিক্স ও এডমিনিস্ট্রেশন এর মতো কোনো তত্বীয় বিষয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স উভয় পরীক্ষায় ডিস্টিংশন লাভ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় তথা বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার প্রেক্ষাপটে বিরল কৃতিত্বের স্বাক্ষর। তার প্রাপ্ত সিজিপিএ আজ অবধি শাবিপ্রবিতে রেকর্ড। শাবিপ্রবি থেকে শিক্ষা সম্পন্ন করে ২০০২ সালের মে থেকে ২০০৪ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তিনি সিলেটের লিডিং ইউনিভার্সিটি’র ব্যবসা প্রশাসন বিভাগে প্রভাষক ও একইসাথে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ন দায়িত্ব পালন করেন। পরে ২০০৪ সালের এপ্রিলে শাবিপ্রবি’র পলিটিক্যাল স্টাডিজ এন্ড পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন ।
জহিরুল হক শাকিল ২০০৯ সালে শাবিপ্রবি’র প্রথম কোন ছাত্র হিসেবে যুক্তরাজ্যে কমনওয়েলথ স্কলারশীপ লাভ করেন। উক্ত স্কলারশীপের অধীনে ইংল্যান্ডের লিডস বেকেট ইউনিভার্সিটি’র এপ্লাইড গ্লোবাল ইথিকস থেকে পিস এন্ড ডেভেলপমেন্টে মেরিট এওয়ার্ডসহ মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন। লিডসে অধ্যয়নকালীন তার থিসিস ‘প্রবলেমস অব ডেমোক্রেটাইজেশন ইন বাংলাদেশ’ জার্মানী থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। ২০১২ সালে দ্বিতীয়বারের মতো কমনওয়েলথ স্কলারশীপ পেয়ে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের স্কুল অব ওরিয়েন্টাল এন্ড আফ্রিকান স্টাডিজের ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগে পিএইচডি করছেন। কোন ব্যক্তির দু’বার কমনওয়েলথ স্কলারশীপ লাভ বাংলাদেশ তথা যুক্তরাজ্যের কমনওয়েলথ স্কলারশীপ কমিশনের ইতিহাসে এক বিরল কৃতিত্বের স্বাক্ষর। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সেমিনারে প্রবন্ধ উপস্থাপন ছাড়াও দেশী-বিদেশী জার্নালে জহিরুল হক শাকিলের এ যাবত ২৫ টি প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। তার প্রকাশিত দুটি গ্রন্থ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পঠিত হয়। যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড, ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের স্কুল অব ওরিয়েন্টাল এন্ড আফ্রিকান স্টাডিজের ইন্সটিটিউট অব সাউথ এশিয়ান স্টাডিজ ও সুইডেনের লুন্ড ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্টিত কনফারেন্সে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যূতে বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় লেখালেখি করেন।
জহিরুল হক শাকিল ছাত্রজীবনে খেলাধুলা, সংস্কৃতি, স্কাউটিং ও বিএনসিসিতে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন। তিনি জে কে এন্ড এইচ কে হাইস্কুল স্কাউটদলের লিডার, সরকারী বৃন্দাবন কলেজের সিনিয়র রোভারমেট ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডট কোর সরকারী বৃন্দাবন কলেজ প্লাটুনের ক্যাডেট ছিলেন। তিনি ১৯৯৩ সালে চতুর্দশ চট্টগ্রাম আঞ্চলিক স্কাউট সমাবেশে জে কে এন্ড এইচ কে হাইস্কুল স্কাউট দলের ও ১৯৯৫ সালে চতুর্দশ জাতীয় রোভার মুটে সরকারী বৃন্দাবন কলেজ রোভার দলের নেতৃত্ব দেন। কমনওয়েলথ স্কলারশীপ এলামনাই এসোসিয়েশন উইকে ও লিডস বেকেট ইউনিভার্সিটি এলামনাই এসোসিয়েশনের সদস্য জহিরুল হক শাকিল হবিগঞ্জ জীবন সংকেত নাট্যগোষ্টীর নির্বাহী সদস্য, সিলেট সন্ধানী নাট্যচক্র ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপা হবিগঞ্জ জেলা শাখার যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, ন্যাশনাল এসোসিয়েশন অব ইউনেস্কো ক্লাব ইন বাংলাদেশ এর হবিগঞ্জ জেলা শাখার প্রেসিডেন্ট ও হবিগঞ্জ জার্নালিস্ট ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের প্রতিষ্টাতা সদস্য। হবিগঞ্জ থেকে প্রকাশিত দৈনিক খোয়াই’র সাবেক স্টাফ রিপোর্টার জহিরুল হক শাকিল বর্তমানে পত্রিকাটির বিশেষ প্রতিনিধি। তিনি বৃন্দাবন কলেজ ছাত্র সংসদের নির্বাচিত যুগ্ম-সাময়িকী ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে কলেজ বার্ষিকী ‘উদয়াচল’ সম্পাদনা করেন। তিনি বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বাংলাদেশ পলিটিক্যাল সায়েন্স এসোসিয়েশন, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপা, হবিগঞ্জ নজরুল একাডেমি ও সিলেটস্থ হবিগঞ্জ সমিতির আজীবন সদস্য। তিনি শাবিপ্রবিতে ২য় ছাত্র হল (বর্তমান বঙ্গবন্ধু হল) এর সহকারী প্রভোস্ট ও থিয়েটার সাস্টের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষা উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের একজন সংগঠক জহিরুল হক শাকিল ২০১২ সালের জানুয়ারীতে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন, বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্ট নেটওয়ার্ক ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌথ উদ্যাগে এবং সিলেট মেট্রোপলিটান ইউনিভার্সিটি ও সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহযোগিতায় সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্টিত ‘আদিবাসী জনগোষ্টী ও সিলেটের পরিবেশ’ শীর্ষক জাতীয় কনভেনশনের সদস্য সচিব ছিলেন। তিনদিন ব্যাপী অনুষ্টিত এ সম্মেলনের ঘোষনাপত্র সিলেটের প্রান্তিক জনগোষ্টী ও বিপন্ন পরিবেশ রক্ষায় একটি রূপরেখা হিসেবে কাজ করছে। যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালীন সময়ে তিনি সিলেট তথা হবিগঞ্জ জেলার সমস্যা সম্ভাবনা নিয়ে প্রবাসীদের মধ্যে ব্যাপক জনমত গঠন করেন ও সাংগঠনিক তৎপড়তা চালান। যুক্তরাজ্যে সিলেট বিভাগ তথা বাংলাদেশের নদ-নদী ও পরিবেশ রক্ষায় একটি প্লাটফর্ম তৈরীতে লন্ডন ওয়াটার কিপার এলায়েন্স ইউএসএ, ওয়াটার কিপার ও বাংলাদেশ ওয়াটার কিপার এর সাথে তিনি নিরলসভাবে কাজ করছেন।
৩ ভাই ২ বোনের মধ্যে সবার বড় জহিরুল হক শাকিলের ছোট বোন আফিয়া খাতুন হবিগঞ্জ আলেয়া জাহির কলেজের দর্শন বিভাগের প্রভাষক, ছোট ভাই মোঃ ছায়েদুল হক ঢাকা ভাসানটেক সরকারী কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক ও অপর ছোটভাই মোঃ নূরুল হক কবির দৈনিক খোয়াই পত্রিকার সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার। এছাড়া তার কনিষ্ঠ বোন আয়েশা খাতুন হবিগঞ্জ আলেয়া জাহির কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত। তার স্ত্রী তাজমিনা সুলতানা লন্ডন মেট্রোপলিটান ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার ইনফরমেশন সিস্টেমে বিএসসি ও সিলেট মেট্রোপলিটান ইউনিভার্সিটি থেকে মার্কেটিং এ এমবিএ ডিগ্রী লাভ করেন। বর্তমানে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে একটি প্রতিষ্টানে কর্মরত তাজমিনা সুলতানা সিলেটের একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনিয়র এক্সজিকিউটিভ অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বাংলাদেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে

হবিগঞ্জের শিক্ষকবৃন্দ 

 

   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

১. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম

অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- বানিয়াচং , হবিগঞ্জ।

 

২. ড. আজিজুর রহমান

অধ্যাপক, মনোবিজ্ঞান বিভাগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জ।

 

৩. ড. এ এস এম আমান উল্লাহ

অধ্যাপক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- শায়েস্তাগঞ্জ, হবিগঞ্জ।

 

৪. আরিফ জামিল

সহকারী অধ্যাপক, আইন বিভাগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ।

৫. সুদীপ চক্রবর্তী

সহকারী অধ্যাপক, নাট্যকলা বিভাগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জ।

 

৬. ফারুক আহমেদ মোল্লা

সহকারী অধ্যাপক, কারুশিল্প বিভাগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- মাধবপুর, হবিগঞ্জ।

 

৭. মোস্তফা মনজুর

প্রভাষক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ।

 

 

৮. নাজমা বেগম

প্রভাষক, মনোবিজ্ঞান বিভাগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- বাহুবল, হবিগঞ্জ।

 

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

১. অধ্যাপক ড.মোঃ সালেহ উদ্দিন

ভাইস চ্যান্সেলর

শাহজালালবিজ্ঞানওপ্রযুক্তিবিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- মশাজান, হবিগঞ্জ।

 

২. ড.আশরাফুল করিম

সহযোগী  অধ্যাপক

বাংলা বিভাগ

শাহজালালবিজ্ঞানওপ্রযুক্তিবিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- মাধবপুর, হবিগঞ্জ।

 

৩. ড.শরদিন্দ্যু ভট্টাচার্য বাপ্পু

সহযোগী অধ্যাপক , বাংলা বিভাগ

শাহজালালবিজ্ঞানওপ্রযুক্তিবিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- বানিয়াচং, হবিগঞ্জ।

 

৪. মোঃ জহিরুল হক শাকিল

সহকারী অধ্যাপক

পি.এস.এস. বিভাগ

শাহজালালবিজ্ঞানওপ্রযুক্তিবিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- হবিগঞ্জ সদর।

 

৫.মোঃ মোস্তফা কামাল

সহযোগী অধ্যাপক, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ

শাহজালালবিজ্ঞানওপ্রযুক্তিবিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ।

 

৬. মোহাম্মদ রেদওয়ান

সহকারী অধ্যাপক

বনবিদ্যা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ।

শাহজালালবিজ্ঞানওপ্রযুক্তিবিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- হবিগঞ্জ সদর।

 

৭. মোঃ আলী আক্কাছ সোহেল

সহকারী অধ্যাপক

সমাজকর্ম অধ্যাপক

শাহজালালবিজ্ঞানওপ্রযুক্তিবিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- হবিগঞ্জ সদর।


৮. মোঃ ফারুক মিয়া

সহকারী অধ্যাপক

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ

শাহজালালবিজ্ঞানওপ্রযুক্তিবিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ।


৯. হোসেন আরা চৌধুরী

সহকারী অধ্যাপক

কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ

শাহজালালবিজ্ঞানওপ্রযুক্তিবিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- হবিগঞ্জ।

 

১০. জীবন চন্দ্র দেব

সহকারী অধ্যাপক

বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ

শাহজালালবিজ্ঞানওপ্রযুক্তিবিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- হবিগঞ্জ।

 

১২. এ.কে.এম নুরুল হোসেন

সহকারী অধ্যাপক

অর্থনীতি বিভাগ

শাহজালালবিজ্ঞানওপ্রযুক্তিবিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- হবিগঞ্জ সদর।

 

১৩. মাহবুবুল হক শোভন

প্রভাষক

অর্থনীতি বিভাগ

শাহজালালবিজ্ঞানওপ্রযুক্তিবিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- বানিয়াচং, হবিগঞ্জ।

 

১৪. হাজেরা আক্তার

প্রভাষক

শাহজালালবিজ্ঞানওপ্রযুক্তিবিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- হবিগঞ্জ সদর।

 

 

১৫. সুব্রত দাস

প্রভাষক

স্থাপত্য বিদ্যা বিভাগ

শাহজালালবিজ্ঞানওপ্রযুক্তিবিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- নবীগঞ্জ সদর

 

 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

১. লুৎফুর হাই জামি

অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ

জাহাঙ্গীরনগরবিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জ।

 

২. জয়ন্ত কুমার সিংহ

সহযোগী অধ্যাপক, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ

জাহাঙ্গীরনগরবিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা-নবীগঞ্জ , হবিগঞ্জ।

 

৩. খন্দকার মোঃ আশরাফুল মুনিম

সহযোগী অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ

জাহাঙ্গীরনগরবিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- শায়েস্তানগর, হবিগঞ্জ।

 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

 

.হোসেনআরাজলি

অধ্যাপক, বাংলাবিভাগ

জগন্নাথবিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ীঠিকানা- নবীগঞ্জ, হবিগঞ্জ

 

চট্টগ্রাম  বিশ্ববিদ্যালয়

আবুলকালামআজাদ

সহকারীঅধ্যাপক

গণযোগাযোগওসাংবাদিকতা

চট্টগ্রামবিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ীঠিকানা- ইনাতাবাদ, হবিগঞ্জ।

 

২. মোঃ আসাদুল  হক

সহকারী অধ্যাপক

পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ

চট্টগ্রামবিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- মাধবপুর, হবিগঞ্জ।

 

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়

১. অধ্যাপক ড. নিতাই চন্দ্র সূত্রধর

প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চ্যান্সেলর

বাংলাদেশটেক্সটাইলবিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- বাণিজ্যিক এলাকা, হবিগঞ্জ।

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

 

১. ড.মোঃ সাহাব উদ্দিন

অধ্যাপক

কৃষি বিভাগ ডীন

মৎস্য বিজ্ঞান বিভাগ

সিলেটকৃষিবিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- মাধবপুর, হবিগঞ্জ।

 

২. চন্দ্র কান্তি দাস

সহকারী অধ্যাপক

কীটতত্ত্ব বিভাগ

সিলেটকৃষিবিশ্ববিদ্যালয়

স্থায়ী ঠিকানা- হবিগঞ্জ সদর।

 

৩. সৈয়দ সায়েম উদ্দিন আহমেদ

প্রভাষক

মেডিক্যাল সার্জারী বিভাগ

সিলেটকৃষিবিশ্ববিদ্যালয়।

 

বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়

১. ডা.কামরুল হাসান তরফদার

অধ্যাপক, নাক, কান ও গলা বিভাগ

বঙ্গবন্ধুমেডিক্যালবিশ্ববিদ্যালয়

ঠিকানা- চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ।

 

২. ডাঃ আব্দুল কাইয়ূম আনছারী

সহযোগী অধ্যাপক, নাক, কান ও গলা বিভাগ

বঙ্গবন্ধুমেডিক্যালবিশ্ববিদ্যালয়

ঠিকানা- বাহুবল হবিগঞ্জ।

 

৩। ডা.এটি এম ইকবাল হাসান

সহযোগী অধ্যাপক, কার্ডিওলজি বিভাগ

বঙ্গবন্ধুমেডিক্যালবিশ্ববিদ্যালয়

ঠিকানা- বাহুবল, হবিগঞ্জ।

 

৪।  ডা.তৃপ্তি দাস

সহযোগী অধ্যাপক, গাইনী বিভাগ

বঙ্গবন্ধুমেডিক্যালবিশ্ববিদ্যালয়

ঠিকানা- হবিগঞ্জ সদর।

 

মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল

ডা.এখলাছুর রহমান

পরিচালক, শিশু বিভাগ

ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতাল।

 

ডা.ক্রান্তি প্রিয় দাস

মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ

ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল।

 

ডা. শামীমা বেগম

এনাটমি বিভাগ

সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল।

 

ডা.হাবিবুর রহমান

মেডিসিন বিভাগ

ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল।

 

 

বাংলাদেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত

হবিগঞ্জের কর্মকর্তাবৃন্দ

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

 

সৈয়দ হাবিবুর রহমান

প্রধান প্রকৌশলী

ঠিকানা- সুন্দরপুর, গোছাপাড়া, চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ।
মোঃ আব্দুর রশিদ

প্রশাসনিক কর্মকর্তা

ঠিকানা- দক্ষিন দৌলতপুর, বাহুবল।
বিকাশ চন্দ্র দাস

সহকারী প্রকৌশলী

ঠিকানা- আজমিরীগঞ্জ।

 

আবুল ফজল মোঃ সালাহ উদ্দিন

সহকারি রেজিস্ট্রার

ঠিকানা- বেবী স্ট্যান্ড রোড, হবিগঞ্জ।

 

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

সুবীর পাল

প্রধান লাইব্রেরীয়ান

ঠিকানা- মধ্য বাজার, চুনারুঘাট।

 

মোঃ সালাহ উদ্দিন আহমেদ

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা

ঠিকানা- মাধবপুর, হবিগঞ্জ।

 

মোঃ শাহেদ আলী

সহকারী প্রকৌশলী

ঠিকানা- ঘরগাঁও, চুনারুঘাট।

 

 

দেবাশীষ  ভট্টাচার্য

সহকারী প্রকৌশলী

ঠিকানা- চুনারুঘাট, হবিগঞ্জ।

 

  প্রশাসনে হবিগঞ্জের কয়েকজন কৃতী কর্মকর্তাবৃন্দ

১. বি.ডি. মিত্র

ইকোনমিক মিনিস্টার

বাংলাদেশ দূতাবাস

নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।

 

২. ফনী ভূষন রায়

অতিরক্ত সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়

স্থায়ী ঠিকানা- বানিয়াচং, হবিগঞ্জ।

 

৩. জালাল আহমেদ

অতিরিক্ত সচিব

অর্থ-বিভাগ, অর্থ মন্ত্রনালয়

স্থায়ী ঠিকানা- হবিগঞ্জ সদর।

 

৪. অশোক মাধব রায়

অতিরিক্ত সচিব

স্থানীয় সরকার বিভাগ

স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়

স্থায়ী ঠিকানা- শায়েস্তানগর, হবিগঞ্জ।

 

৫. ইকবাল খান চৌধুরী

অতিরিক্ত সচিব

শিক্ষা মন্ত্রনালয়

স্থায়ী ঠিকানা- বানিয়াচং, হবিগঞ্জ।

Share on Facebook
Free WordPress Themes - Download High-quality Templates