Tuesday , 23 October 2018
এই মূহুর্তেঃ-

আলহাজ্ব এডভোকেট মোঃ আবু জাহির এম পি

এডভোকেট মোঃ আবু জাহির

সভাপতি হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ

জীবন বৃত্তান্ত ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডের তথ্যাবলি-

নাম- এডভোকেট মো  আবু জাহির (বি কম, এল, এল, বি )

সংসদ সদস্য ২৪১, হবিগঞ্জ -৩,৯ম ও ১০ম জাতীয় সংসদ।

পিতার নাম-  মরহুম হাজী আমীর আলী।

মাতার নাম – মরহুম মোছা – ফজল নেছা।

জন্ম তারিখ – ০৩.০৩.১৯৬৩।

ঠিকানা –

বর্তমান – টাউন হল রোড, হবিগঞ্জ-৩৩০০।

স্থায়ী – গ্রাম ও ডাক, রিচি, উপজেলা ও জেলা হবিগঞ্জ।

ফোন – ০৮৩১-৬২৬৭০, মোবাইল – ০১৭১১-৮৩৫৮০৩।

স্ত্রী ও সন্তানাদি –

স্ত্রী – আলেয়া জাহীর ,পেশা-গৃহিনী।

কন্যা – আরিফা আক্তার মুক্তি, বিবাহিত, লন্ডন প্রবাসী।

পুত্র – মো – ইফাত জামিল , ছাত্র লন্ডন গ্রীনিজ ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাজ্য।

রাজনৈতিক পদবী –

সভাপতি , হবিগনঞ্জ,জেলা আওয়ামীলীগ। (২০১৩-বর্তমান)

সাধারন সম্পাদক, হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ। (২০০৩-২০১৩)

সাংগঠনিক সম্পাদক, হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ। (১৯৯৩-১৯৯৭) (১৯৯৭-২০০৩)

সদস্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগ , কেন্দ্রীয় কার্যকরি সংসদ। (১৯৮৯-১৯৯১)

সভাপতি, হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ।(১৯৮৪-১৯৮৮)

ভারপ্রাপ্ত সভাপতি , বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাত্রলীগ। (১৯৮৩-১৯৮৪)

জি এস পদপ্রার্থী বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদ। (১৯৮২)

পেশাজীবি সংগঠন –

সাবেক সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক হবিগঞ্জ ট্যাকসেস বার এসোসিয়েশন। (একাধিক বার)

সাবেক সাধারন সম্পাদক, হবিগঞ্জ ক্রীড়া সংস্থা। (২০০১-২০০৫)

সাবেক সেক্রেটারি , হবিগঞ্জ জেলা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। (১৯৯৭-২০০১)

চার্টার্ট  সেক্রেটারি, ইউনেস্কো হবিগঞ্জ জেলা শাখা।

চার্টার্ট প্রেসিডেন্ট ,লায়ন্স কাব অব হবিগঞ্জ।

সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি, দৈনিক দেশজমি হবিগঞ্জ।

চেয়ারম্যান , খন্দকার ট্রাস্ট ইন্টারন্যাশনাল, হবিগঞ্জ শাখা।

সভাপতি, বায়তুল আমান জামে মসজিদ, হবিগঞ্জ।

নির্বাচন –

২০১৪ সনের সধারন নির্বাচনে প্রায় ৭৭ হাজার ভোটের ব্যাবধানে নির্বাচিত সংসদ সদস্য।

২০০৮ সনের সাধারন নির্বাচনে প্রায় ৯১ হাজার ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত সংসদ সদস্য।

১৯৯০ সনের  উপজেলা নির্বাচনে হবিগঞ্জ সদর উপজেলা চ্যায়ারম্যান পদপ্রার্থী।

১৯৮২ সনে বৃন্দাবন সরকারি কলেজের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জি এস পদপ্রার্থী ।

কারাভোগ – *২০০২সালে খালেদা জিযার যৌথ বাহিনীর কিনহার্ট অপারেশনে বিনা মামলায় গ্রেপ্তার এবং ডিটেনশনে আড়াই মাস কারাভোগ , হাইকোর্টের রায়ে মুক্তি লাভ।

*১৯৮৭  সালে এরশাদ সরকারের মন্ত্রী আনোয়ার জাহিদের নির্দেশে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার ও ৩ মাস কারাভোগ, পরবর্তিতে বেকসুর খালাস।

* ১৯৮৪ সালে সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে গ্রেপ্তার ও মুক্তি লাভ।

নির্যাতন – ২০০৫ সারের ২৭ জানুয়ারি বৈদ্যার বাজারে গ্রেনেড হামলায় সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার সাথে গুরুতর আহত। পরবর্তিতে ঢাকা কলকাতা ও লন্ডনে চিকিৎসায় আরোগ্য লাভ।

১৯৮৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর এরশাদ পেটুয়া বাহীনির হামলায় গুরুতর আহত হই। হবিগঞ্জ ও ঢাকায় চিকিৎসায় আরোগ্য লাভ।

*  ১৯৮৯ সালে বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনী কর্নেল ফারুক ও রশিদকে হবিগঞ্জে জীবন বাজি রেখে প্রতিহত করতে আহত হই এবং চিকিৎসায় আরোগ্যলাভ।

* ১৯৮৫ সালে উপজেলা নির্বাচন প্রতিহত করতে এবং ১৯৮৭ সালে স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের মিথ্যা মামলায় হয়রানি।

* ১৯৮২ সাল থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহন ও বিভিন্ন সময় মামলায় হয়রানি।

Share on Facebook
Free WordPress Themes - Download High-quality Templates