থিয়েটার

নাট্যমেলা

১৯৯৪ সালের শেষের দিকে হবিগঞ্জের নাট্যচর্চা যখন তুঙ্গে তখন হবিগঞ্জ নাট্যাঙ্গনে নতুন যাত্রা যোগ করতে ১৯৯৫ সালের ৯ জানুয়ারি নাটক ছড়িয়ে পড়–ক বিস্তির্ন জণপথে এই শ্লোগান নিয়ে গঠিত হয় নাট্যমেলা। প্রথমেই কাজী জাকির হাসান এর নাটক “জনৈক মহাপ্রয়াণ” এর সফল মঞ্চায়ন করে দলটি। নাটকটি নির্দেশনায় ছিলেন হবিগঞ্জ এর তুখোড় ও নাট্যকর্মী সৈয়দ মুফাজ্জল সাদাত মুক্তা নাট্য মেলার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মহিউদ্দিন মফিজ ও এক ঝাক নাট্যকর্মীর প্রচেষ্টায় অল্প কিছুদিনের মধ্যেই বেশ কিছু ভাল মানের নাটক মঞ্চে এনে হবিগঞ্জ এর নাট্য প্রেমিদের মনে স্থান করে নেয়। তার পর থেকে তাদের আর পেছনে তাকাতে হয়নি তারা একের পর এক আয়োজন করে মঞ্চ নাটক, পথ নাটক, গীতিনাট্য প্রভৃতি। তাদের উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে মামুনুর রশীদের “ওরা আছে বলেই” মমতাজ উদ্দিন আহম্মেদের ‘‘হাস্য লাস্য ভাষ্য’’ কল্যাণ মিত্রের ‘‘লালন ফকির’’ প্রভৃতি বেশ প্রশংসা অর্জন করে।

২০০১ সালে ভারতের ত্রিপুরায় আয়োজিত নাট্য উৎসবে নাটক করে নাট্যমেলা বেশ প্রশংসিত হয়। দেশজ ঐতিহ্য রক্ষার জন্য ১৯৯৯ সালে নাট্য মেলা আয়োজন করে বাউলা উৎসব, সেখানে হবিগঞ্জ এর ৪জন বাউল। শেখ ভানুশাহ, দীনহীন, সৈয়দ শাহনুর ও মওলা শাহ এর উপর আলোচনা ও তাদের গান পরিবেশন করা হয়। প্রাণের মেলায় প্রাণ মেলাও শান্তির অন্ধেষায় এই শ্লোগান নির্ধারণ করে নাট্যমেলা ও ৯ জানুয়ারী ২০০৭ আয়োজন করে তাদের ১ যুগ পূর্তিতে বিভাগীয় পথ নাট্য উৎসব হবিগঞ্জ ও আশেপাশের কয়েকটি নাট্যদল অংশ গ্রহন করে।

Share on Facebook